নিজস্ব প্রতিনিধি , দেরাদুন - অভাবের সংসারে মায়ের টিফিনের ব্যবসাই ছিল পরিবারের একমাত্র ভরসা। ছোট বয়স থেকেই মায়ের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় টিফিন পৌঁছে দিতেন মীনাক্ষী ভাটিয়া। সেই সময় প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাজ দেখে তার মনে সরকারি চাকরির স্বপ্ন তৈরি হয়। তারপরই কঠোর পরিশ্রমে সেই স্বপ্ন পূরণ করে আজ তিনি উত্তরাখণ্ডের ডেপুটি কালেক্টর।
অনেক ছোট বয়সেই বাবাকে হারিয়েছেন মীনাক্ষী। সেই সময় পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন তার মা নীলম ভাটিয়া। সংসার চালাতে ছোট একটি টিফিন সার্ভিস শুরু করেন তিনি। মেয়েও পড়াশোনার পাশাপাশি মায়ের কাজে নিয়মিত সাহায্য করতেন। যাতে মায়ের পাশে সংসার চালাতে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারেন।

প্রতিদিন টিফিন পৌঁছে দিতে গিয়ে বিভিন্ন সরকারি দফতরে যেতেন মীনাক্ষী। সেখানে কর্মরত আধিকারিকদের কাজ তাকে নতুন লক্ষ্য ঠিক করতে সাহায্য করে। এরপর সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য মন দিয়ে প্রস্তুতি করেন তিনি। প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত পড়াশোনা করে নিজের লক্ষ্য থেকে এক মুহূর্তও সরে যাননি।
পড়াশোনায় শুরু থেকেই ভালো ফল করতেন মীনাক্ষী। স্কুলের পরীক্ষায় কৃতিত্বের পর UKPSC পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও একই নিষ্ঠা ধরে রাখেন। ২০২৪ সালের উত্তরাখণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় সাধারণ বিভাগে পঞ্চম স্থান অর্জন করেন। বর্তমানে ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নিজের সাফল্যের গল্পে বহু তরুণ তরুণীকে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস দিচ্ছেন।
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের