নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করতে বড় কৌশলগত সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছে নয়াদিল্লি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত পাঁচটি বিমান ঘাঁটি পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত। মূল লক্ষ্য, দেশের সবচেয়ে স্পর্শকাতর ভৌগোলিক অংশ শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেন নেক’কে সুরক্ষার চাদরে মুড়ে ফেলা।

শিলিগুড়ি করিডর ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যের একমাত্র স্থলসংযোগ। কোথাও কোথাও এই করিডরের প্রস্থ মাত্র ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার। অর্থাৎ, সামান্য অস্থিরতাই দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ, রসদ পরিবহন এবং সামরিক চলাচলের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই করিডরের নিরাপত্তা আরও শক্ত করা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
এই প্রেক্ষাপটেই ভারতের পরিকল্পনায় উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের পাঁচটি পুরনো বিমান ঘাঁটির পুনরুজ্জীবন। রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার আমবাড়ি ও পাঙ্গা, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট, মালদহের ঝালঝালিয়া এবং অসমের ধুবড়ি—এই পাঁচটি এলাকায় থাকা পরিত্যক্ত বিমান ক্ষেত্রগুলোকে সংস্কার করে আবার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগেই কোচবিহার এবং অসমের রূপসী বিমানবন্দরকে সামরিক ও কৌশলগত ব্যবহারের উপযোগী করে তুলেছে কেন্দ্র।
এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে নেওয়া হয়েছে, যখন ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক কিছুটা চাপের মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট বিমান ঘাঁটি পুনর্নির্মাণের খবরে ভারতের কৌশলগত মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। লালমনিরহাট শিলিগুড়ি করিডরের তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি হওয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, ওই বিমান ঘাঁটি শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনেই ব্যবহৃত হবে।
ভারতের তরফে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের সংশ্লিষ্ট বিমান ক্ষেত্রগুলোর দায়িত্ব রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, এই রানওয়েগুলো এমনভাবে সংস্কার করা হচ্ছে যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সেনা মোতায়েন, রসদ পরিবহন এবং প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালানো যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে হেলিকপ্টার ও ছোট সামরিক বিমান নামানোর ব্যবস্থা থাকলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী বড় পরিসরের অপারেশন চালানোর পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র সামরিক শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখারও একটি বার্তা। শিলিগুড়ি করিডরের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে অবকাঠামো শক্তিশালী হলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ যেমন আরও নিরাপদ হবে, তেমনই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রেও ভারতের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে।
ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির কোলে শান্ত সময় কাটান
গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সুন্দরবনের প্রায় ৪,১০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাঘ গণনার কাজ করা হয়
নিরিবিলি পরিবেশে প্রকৃতির মাঝে কাটান কয়েকটি দিন
নিরিবিলি পাহাড়ে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য
স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে মন্দারমণিতে বিনোদনের বিশেষ আয়োজন
আবেদন করার পরও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছায়নি
প্রাচীন এক্তেশ্বর শিব মন্দিরে মহাদেব বরফ দিয়ে সাজানো
শান্ত পরিবেশের টানে বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়
ভিড় থেকে দূরে কয়েক দিন কাটানোর জন্য অনন্য জায়গা
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের