নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে বিতর্কের আবহে টলিপাড়ার একাংশের শিল্পীদের বক্তব্য সামনে আসছে। এক সময় যারা তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তাদের অনেকেরই বর্তমান অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই প্রেক্ষাপটে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে নিজের অবস্থা স্পষ্ট করলেন অভিনেত্রী ও সঞ্চালিকা সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।

সোশ্যাল মিডিয়া তিনি প্রশ্ন তোলেন, মুখে মুখোশ পরতে পরতে অভিনেতা-অভিনেত্রীরা কী মাঝে মাঝে দুটোর ফারাকটাও বুঝতে পারেন না? তার অভিযোগ যারা আজ স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন তাদের অনেকেই অতীতের তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করতে দেখা গেছে। তিনি আরও বলেন, যারা স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে হেঁটেছেন বা বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীকে নেমন্তন্ন করে পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন, তাদের কী কেউ মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে এসব করতে বাধ্য করেছিলেন? অভিনেত্রীর মতে সব সময় প্রচারের আলোয় থাকার প্রয়োজন নেই। মন দিয়ে নিজের কাজ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীদের ডাকে সাড়া না দিলে কাজের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয় এই অভিযোগে টলিপাড়ার অভিনেতা অভিনেত্রীদের একাংশ সরব হয়। এই প্রশ্নের উত্তরে সুদীপা জানান, সুরুচি সংঘের পুজোয় আমাকেও ডাকা হয়েছে। গত দশ বছর চেতলা অগ্রনিতেও নিমন্ত্রণ পেয়েছি। বাড়িতে পুজো থাকায় যেতে পারিনি। কোনও খাঁড়া নেমে আসেনি।

সরকারের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখলে কাজ হারাতে হয় এমন অভিযোগ মানতে নারাজ অভিনেত্রী। তার দাবি, কাজ চলে যাওয়ার পর কখনো অভিযোগ করেননি যে দলের প্রচারে না যাওয়ার কারণে আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটা এমন একটা ইন্ডাস্ট্রি যেখানে কাউকে কোন কিছুর জন্য বাধ্য করা হয় না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আজও শ্রদ্ধাশীল সুদীপা। অকপটে বলেছে সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিভাবকের মতন ছিলেন। দলের প্রচারে কিংবা কোন মিছিলে অংশ নেওয়ার জন্য চাপ দেননি বলে জানান তিনি।

অভিনেত্রী করা দিয়ে বার্তা জানান, বাড়িতে পুজোর ভোগ খেতে আমি যেতে পারি কিন্তু প্রচারে যাব না। তাই দয়া করে কদিন একটু চুপ করে থাকুন। "আমরা যারা দূরে থেকেছি তারা মুখ খুললে পাবলিক ইমেজটাও নষ্ট হয়ে যাবে"! স্বরূপ বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে টলিপাড়ায় চলা বিতর্কের আবহে সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের এমন মন্তব্য নতুন করে চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...