নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করার পথে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ অতিক্রম করল দেশীয়ভাবে নির্মিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রলয়। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) সম্প্রতি এই মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে, যা দেশের সামরিক প্রস্তুতি ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের স্পষ্ট বার্তা বহন করছে।

পরীক্ষাটি নির্ধারিত পরীক্ষণ কেন্দ্রে সম্পন্ন হয় এবং উৎক্ষেপণের পর প্রলয় মিসাইল তার লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে আঘাত হানে। পরীক্ষাকালে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি, দিকনির্দেশনা ব্যবস্থা এবং ওয়ারহেডের কার্যকারিতা খুঁটিয়ে দেখা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, পরীক্ষার সমস্ত মানদণ্ডই সন্তোষজনকভাবে পূরণ হয়েছে।
সলিড ফুয়েলচালিত এবং ক্যানিস্টার-ভিত্তিক এই স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইলটি দ্রুত মোতায়েনযোগ্য হওয়ায় যুদ্ধক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। প্রলয়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর ম্যানুভারেবল ওয়ারহেড , যা শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে সক্ষম। ফলে এটি আধুনিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রলয় মূলত প্রচলিত (নন-নিউক্লিয়ার) যুদ্ধাস্ত্র বহনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি, লজিস্টিক সেন্টার কিংবা কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানার ক্ষেত্রে এই ক্ষেপণাস্ত্র বড় ভূমিকা নিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি স্থলবাহিনীর আক্রমণ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক শক্তিকেও জোরদার করবে।

এই সফল পরীক্ষার মাধ্যমে ভারতের আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা নীতির বাস্তব রূপ আরও স্পষ্ট হলো। দেশীয় প্রযুক্তিতে উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়ার যে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, প্রলয় মিসাইল তারই একটি উল্লেখযোগ্য ফল। বিদেশি প্রযুক্তির উপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের সক্ষমতায় আস্থা রাখার এই প্রচেষ্টা দীর্ঘমেয়াদে ভারতের নিরাপত্তার জন্য ইতিবাচক বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা।
সব মিলিয়ে, প্রলয় মিসাইলের এই পরীক্ষা শুধু একটি প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রেও ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর