নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব বর্ধমান - বিজেপির নবগঠিত মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন আউশগ্রামের বিধায়ক কলিতা মাজি। একসময় পরিচারিকার কাজের দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে সংসার চালানো এই রাজনৈতিক কর্মীর মন্ত্রী হওয়ার খবরে এলাকা জুড়ে ছড়িয়েছে উত্তেজনা। সোমবার কলকাতায় শপথ নেওয়ার পর থেকেই তাঁর জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের কাহিনি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্ব পাওয়াকে অনেকেই অনুপ্রেরণার উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
গুসকরা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেন কলিতা মাজি। তিনি দীর্ঘদিন পরিচারিকার কাজের পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলেছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হলেও দল তাঁর উপর ভরসা রেখেছিল। ২০২৬ সালে ফের প্রার্থী হয়ে আউশগ্রাম থেকে জয়ী হন তিনি। মন্ত্রী হওয়ার প্রসঙ্গে কলিতা বলেন, এমন স্বপ্ন তিনি কখনও দেখেননি। তবে দল ও নেতৃত্বের ভরসাই তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।
যাঁদের বাড়িতে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, সেই পরিবারের সদস্যরাও তাঁর সাফল্যে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন । প্লাতিলাল পাত্র ও কৃষ্ণা পাত্র জানিয়েছেন, তাঁরা কখনও কলিতাকে কাজের লোক হিসেবে দেখেননি, পরিবারের মেয়ের মতোই মনে করেছেন। মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার মানসিকতা কলিতার বরাবরই রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাই এখন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে কাজে লাগবে বলে তাঁদের বিশ্বাস।
মন্ত্রী হওয়ার পরেও সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা ভুলে যাননি কলিতা মাজি। তিনি জানিয়েছেন, গ্রামে বহু শিক্ষিত যুবক-যুবতীকে টোটো চালানো বা দিনমজুরের কাজ করতে দেখা যায়, যা ভাবনার বিষয়। পিছিয়ে থাকা পরিবারের সন্তানরা যাতে আরও ভালো সুযোগ পায় ও শিক্ষার যথাযথ মূল্য পায়, সেই লক্ষ্যেই কাজ করতে চান তিনি। পাশাপাশি তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন, মানুষের ভোট ও ভালোবাসার কারণেই আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন। তাই মানুষের থেকে কখনও দূরে সরে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...