নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের চাপে হারিয়ে যেতে বসা বাংলার লোকসংস্কৃতিকে ফের মানুষের কাছে আনতেই আয়োজিত হলো ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘সুন্দেরিদম’। সুন্দরবনের গোবিন্দকাটিতে দুদিনব্যাপী এই উদ্যোগে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এটি ঐতিহ্য রক্ষার্থে এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বার্তা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , শহুরে সংস্কৃতির প্রভাব, দ্রুত বদলে যাওয়া জীবনযাত্রার ফলে লোকশিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে নতুন প্রজন্ম। এই প্রবণতা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা বাড়িয়েছে শিল্পমহলে। সেই প্রেক্ষাপটে কলকাতা সোসাইটি ফর কালচারাল হেরিটেজ, ইউনেস্কো, রাজ্য সরকারের এমএসএমই অ্যান্ড টি ডিপার্টমেন্টের সহযোগিতায় শনিবার আয়োজিত হল এই অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের মঞ্চে ঝুমুর নাচে আদিবাসী জীবনের সংগ্রাম, ছৌ নাচে পুরাণ ও লোককথার আবহ, পাতা নাচে প্রকৃতির আরাধনা, ভাটিয়ালি গানে নদীনির্ভর জীবনের অনুভব ফুটে ওঠে। ফলে প্রবীণদের স্মৃতিতে ফিরে আসে শৈশবের উৎসব। আর কচি-কাঁচারা কৌতূহলভরে পরিবেশনা দেখতে শিখতে আগ্রহী হচ্ছে।
ছৌ নাচের শিল্পী নির্মল সহিস জানান, 'এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের শিল্প আরও মানুষের কাছে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছি। বংশপরম্পরায় যে কাজ করে আসছি, তা নিয়ে গর্ব অনুভব করি। খুব ভালো লাগে। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন হোক, সেটাই চাই'।
কলকাতা সোসাইটি ফর কালচারাল হেরিটেজের প্রেসিডেন্ট অর্পিতা মুখার্জী জানান, 'আমাদের রাজ্যে বহু ঐতিহ্যবাহী শিল্প রয়েছে। বিভিন্ন জেলার শিল্পীদের একত্রিত করে এমন শিল্পকলাকে সামনে আনাই লক্ষ্য। কাজের অভাবে বহু শিল্পী অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। শিল্প ও শিল্পী, দু’টোকেই বাঁচিয়ে রাখা আমাদের উদ্দেশ্য'।
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়