নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - ডিজিটালের যুগে বইপ্রেমীদের জন্য কুপনের মাধ্যমেই মিলবে অনবদ্য উপহার । কুপন সংগ্রহের করে মেলায় গেলেই মিলবে একাধিক বই।পড়াশোনা থেকে অবসর—সব ক্ষেত্রেই স্ক্রিন নির্ভরতা বেড়েছে। তার জেরে বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলছে নতুন প্রজন্ম। এই পরিস্থিতিতে বইয়ের প্রতি আগ্রহ ফেরাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হল হাড়োয়া বইমেলা ২০২৬। কুপনের মাধ্যমে বই সংগ্রহের ব্যবস্থা করে বইমেলাকে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বসিরহাটের সুন্দরবনের বিদ্যাধরী নদীর তীরে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বর্ষের হাড়োয়া বইমেলা এই উদ্যোগের জন্য বিশেষ মাত্রা পেয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , দক্ষিণ ২৪ পরগণার বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া এলাকায় সুন্দরবনের বিদ্যাধরী নদীর তীরে বইমেলাটি শুরু হয়েছে ১৭ ই জানুয়ারিতে। বইমেলা শুরুর আগেই উদ্যোক্তারা বিভিন্ন এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে কুপন বিক্রি করেন। মেলায় এসে সেই কুপন দেখালেই যে কোনও স্টল থেকে বই সংগ্রহ করা যাচ্ছে।বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন বাংলার বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী কেশব দে। তারসাথে উপস্থিত ছিলেন হাড়োয়ার পঞ্চায়েত সমিতি সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক মোল্লা , হাড়োয়ার বিশিষ্ট সমাজসেবী ফরিদ জমাদার। মেলা কমিটির দাবি, এই পদ্ধতিতে বিপুল অঙ্কের কুপন বিক্রি হয়েছে। এর ফলে একদিকে পাঠকেরা সহজে বই পাচ্ছেন, অন্যদিকে বই বিক্রেতাদের মধ্যেও বিক্রি নিয়ে আশ্বাস তৈরি হয়েছে। এবছর মেলায় মোট ৪৫টি স্টল বসেছে, যার মধ্যে ২৪টি শুধুমাত্র বইয়ের জন্য বরাদ্দ।
হাড়োয়ার বিশিষ্ট সমাজসেবী ফরিদ জমাদার বলেন, “ আমাদের মেলার পুরো ফোকাসটাই হল বই। বই পড়ুন, বই উপহার দিন—এই বার্তাই আমরা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। বর্তমান সময়ে নব প্রজন্ম মোবাইল কেন্দ্রিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে, ফলে তারা ধীরে ধীরে বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। সেই জায়গা থেকেই কুপন ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষকে আবার বইমুখী করার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়