নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - কাশ্মীর নয় এবার বাংলার মাটিতে বিভিন্ন রঙের টিউলিপ। গত ডিসেম্বরে এই উদ্যোগ নেয় এক সাধারণ তন্তুজীবী যুবক। তার প্রতিদিনের ১ ঘণ্টার পরিশ্রমের ফলেই কাশ্মীরি টিউলিপ আজ ধরা দিয়েছে ঘরের উঠোনে। ইতিমধ্যে কাশ্মীরি টিউলিপ দেখতে ভিড় জমিয়েছে গোটা এলাকার মানুষ।
নদীয়ার শান্তিপুর থানা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা অভিনব বসাক পেশায় একজন তন্তুজীবী। গত বছর কর্মসূত্রে দিল্লিতে গিয়ে তিনি টিউলিপ ফুল প্রথম কাছ থেকে দেখেন। সেই সময়ই তার মনে প্রশ্ন জাগে, দিল্লিতে যদি এই ফুল ফোটানো সম্ভব হয়, তাহলে নদীয়ার মাটিতে কেন নয়? এই ভাবনাকেই বাস্তব রূপ দিতে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অনলাইনের মাধ্যমে তিনি ১২৫টি টিউলিপ বাল্ব অর্ডার করেন। সঠিক নিয়ম মেনে পরিচর্যার ফলেই মাত্র ৩২ দিনের মাথায় গাছে ফুল ফোটাতে সক্ষম হন অভিনব। যদিও টিউলিপ চাষের জন্য নির্দিষ্ট জলবায়ু আর যত্নের প্রয়োজন, তবুও প্রতিদিন গুগলের সাহায্য নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা করে সময় দিয়ে গাছগুলোর পরিচর্যা করেছেন তিনি। তিন রঙের টিউলিপ গাছ লাগানো হলেও এখনও পর্যন্ত সাদা রঙের ফুলই ফুটেছে।
অভিনব বসাক জানিয়েছেন, "বর্তমানে প্রায় ১৮টি গাছে ফুল ফুটেছে। বাবা কাপড়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, সেই কাজে সাহায্য করার পাশাপাশি প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠেই গাছের যত্ন নিতাম। শুধু টিউলিপ না বাগানে বিভিন্ন ফুল, ফল সহ নানা ধরনের বাহারি পাতাবাহার গাছ রয়েছে। আমার খুব একটা গাছ বা ফুলের শখ না থাকলেও টিউলিপ ফোটানোর ইচ্ছা ছিল প্রবল।"
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
এমন মানবিক প্রচেষ্টা স্থানীয় মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে
ওড়িশার কোলাহল মুক্ত সমুদ্র সৈকত গোপালপুর
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর