নিজস্ব প্রতিনিধি, অসম - ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে জেগে থাকা বিশ্বের বৃহত্তম নদী দ্বীপ মাজুলি আজও রহস্যে মোড়া একটি জায়গা। যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসেছে। তবে এই জনপদ বা নদীদ্বীপ এখন পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। অসমীয়া সংস্কৃতি আর আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য মিলনভূমি এটি। শহরের কোলাহল থেকে দূরে, এখানে পাওয়া যায় প্রকৃতির এক শান্ত স্পর্শ। ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে মাজুলি যেন এক আলাদাই স্বপ্নময় প্রকৃতির অনুভূতি এনে দেয়।
এই মাজুলি নদীদ্বীপের অন্যতম আকর্ষণ হল তার প্রাচীন বৈষ্ণব সত্র। যেখানে বহু শতাব্দী প্রাচীন সংস্কৃতি এখনও জীবন্ত আছে। এমনকি এই দ্বীপে চাকা ছাড়া হাতে করে তৈরি করা বিরল মৃৎশিল্পের কথা বিশেষভাবে শোনা যায়। এছাড়া এখানে তৈরি হয় অভিনব ‘জীবন্ত’ মুখোশ, যার চোয়াল নড়াচড়া করতে পারে। কিন্তু বর্ষাকালে নদী ভাঙনের ফলে দ্বীপটির আয়তন ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। মিশিং উপজাতিদের বাঁশের মাচা ঘর আর হস্তশিল্প পর্যটকদের জন্য এক আলাদাই অভিজ্ঞতা এনে দেয়। শান্ত ব্রহ্মপুত্র নদ আর পরিযায়ী পাখির মেলা পর্যটকদের বারবার টানে এই নদীদ্বীপে।
সব মিলিয়ে মাজুলি নদীদ্বীপ প্রকৃতি আর ঐতিহ্যের এক সুন্দর মেলবন্ধন। বিপদের মুখেও নিজের সংস্কৃতি ধরে রাখার এক অনন্য উদাহরণ এই নদীদ্বীপটি। ভিড় এড়িয়ে নতুন কিছু খুঁজতে চাইলে এটি ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য আদর্শ এক গন্তব্য। অন্তত একবার এই মায়াবী দ্বীপ ঘুরে দেখা উচিত।
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...