নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা - গত কয়েক দিন ধরেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে সোমবার উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার পাশাপাশি দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। একসময় বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ঋতব্রত পরে তৃণমূলে যোগ দিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হন। পরবর্তীতে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধায়ক পদে আসীন হন।

দল থেকে বহিষ্কারের পরই ঋতব্রতের বিধায়ক পদ থাকবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সুর শোনা যায় তাঁর গলায়। ঋতব্রত দাবি করেন, “আমি যা জানি, সব বলতে পারি। দুর্নীতির নানা বিষয় নিয়ে সরকারের কাছে চিঠি লিখব এবং তদন্তের দাবি জানাব।”
এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যখন তীব্র চর্চা চলছে, তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ ছুড়ে দেন টলিউড অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, “ছেলেটা কী ঘাড়ধাক্কাই না খাচ্ছে! বাম থেকে বহিষ্কৃত হয়ে ডানে গিয়েছিল, সেখান থেকেও বহিষ্কৃত। দেখা যাক আগামী দিনে কী হয় তার ব্রত!”
যদিও পোস্টে সরাসরি ঋতব্রতের নাম উল্লেখ করেননি অভিনেতা। তবে ‘ব্রত’ শব্দের ব্যবহার থেকেই তাঁর ইঙ্গিত যে ঋতব্রতের দিকেই ছিল, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

জয়জিৎয়ের পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই নেটমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা ও কটাক্ষের বন্যা। কেউ লিখেছেন, “ওর নাম ঋতব্রত নয়, ঋতু-পরিবর্তন হওয়া উচিত ছিল।” আবার কেউ বাম নেতা শতরূপ ঘোষের পুরনো মন্তব্য তুলে এনে বিদ্রূপ করেছেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহিষ্কার, তাঁর পাল্টা হুঁশিয়ারি এবং জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কটাক্ষ— সব মিলিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কে সরগরম রাজ্য রাজনীতি।
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...