নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বিশ্বের মধ্যে পঞ্চম অর্থনৈতিক দেশে পরিণত হতে চলেছে ভারত। এই পঞ্চম অর্থনৈতিক দেশে এখন দেখা যাচ্ছে চরম হাহাকার পরিস্থিতি। ধনীরা ক্রমশ ধনী হচ্ছে এবং গরিবরা ক্রমশ গরিব হচ্ছে, এই ভয়ঙ্কর সত্য এর আগেও প্রকাশ্যে এসেছিল। কিন্তু সরকার, প্রশাসন বা কেউই তাতে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি। কিন্তু দুই থেকে তিন বছর যেতেই সেই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে উঠলো। বড় অংশের সমাজবীদদের মতে এই সমস্যা প্রকট হওয়ার দুটি কারণ, প্রথম কারণ ভারতীয় সংস্কৃতিতে মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার আগে ছেলের আর্থিক পরিস্থিতি দেখে বিবাহ দিতে চাইছেন। দ্বিতীয় কারণ ধনীবান মানুষরা গরিব মানুষকে কাজ করিয়ে তাদের প্রাপ্য তাদেরকে না দিয়ে উল্টো তাদের থেকে নিতে পারলে আরও সুবিধা হয়, এই মানসিকতা প্রকট হচ্ছে। দিনে দিনে এই দুই সমস্যা যত প্রকট হচ্ছে তত দেশের বুকে বাড়ছে ধনী ও গরিবদের ভারসাম্যতা।

তথ্য অনুযায়ী , দেশের সর্বোচ্চ ১০% মানুষ মোট আয়ের ৫৮% দখল করে রেখেছেন। অথচ দেশের নীচের ৫০% মানুষের ভাগে আসে মাত্র ১৫% আয়। সম্পদের ক্ষেত্রেও ছবিটা আরও ভয়াবহ। দেশের ধনীতম ১০% মানুষের হাতে রয়েছে মোট সম্পদের ৬৫%, আর শীর্ষ ১% ধনী একাই নিয়ন্ত্রণ করেন ৪০% সম্পদ। ২০১৪ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে আয়ের বৈষম্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮.২ শতাংশে। শুধু ভারত নয়, বিশ্বের সেরা ০.০০১% ধনীরাও নীচের ৫০% মানুষের মোট সম্পদের তিনগুণ মালিক। ১৯৯৫ সালে এই অংশের হাতে মোট সম্পদের ৪% ছিল, যা ২০২৫ সালে বেড়ে ৬% হয়েছে।
এই পরিস্থিতি ভারতের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। একদিকে ধনী মানুষের হাতে বিপুল সম্পদ জমছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ নিত্যদিনের প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এই ব্যবধান কমাতে হলে শুধু সরকারি নীতির পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, সমাজের চিন্তাভাবনাতেও বদল আনতে হবে। বিশেষ করে বিয়ে বা সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আর্থিক অবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়ার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর